রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে বেড়েই চলেছে হামের রোগী - দৈনিক দেশ কন্ঠ

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে বেড়েই চলেছে হামের রোগী

প্রকাশকঃ দৈনিক দেশ কন্ঠ
প্রকাশ: এপ্রিল ২৪, ২০২৬
{"data":{"pictureId":"9caffd8662194ee5bbe16cb40045030b","appversion":"0.0.1","stickerId":"","filterId":"","infoStickerId":"","imageEffectId":"","playId":"","activityName":"","os":"android","product":"lv","exportType":"image_export","editType":"image_edit","alias":""},"source_type":"vicut","tiktok_developers_3p_anchor_params":"{"source_type":"vicut","client_key":"aw889s25wozf8s7e","picture_template_id":"","capability_name":"retouch_edit_tool"}"}

  • শেখ আব্দুর রাজ্জাক রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি : সারাদেশের মতো রাজবাড়ীতেও বাড়ছে হামের প্রকোপ। রাজবাড়ী সদর হাসপাতালেও বেড়েই চলেছে হামের রোগী। গত ২৪ ঘন্টায় রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ জন শিশু নতুন করে ভর্তি হয়েছে। এ পর্যন্ত সদর হাসপাতালে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১৪ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল ) রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শেখ মোঃ আব্দুল হান্নান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। হাসপাতাল কতৃপক্ষ থেকে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর আগে ১০ জন রোগী ভর্তি ছিল। মোট ১৫ জন শিশুর মধ্যে ১ জন সুস্থ হয়ে বৃহস্পতিবার বাড়ি চলে যায়। বর্তমানে সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছে ১৪ জন শিশু।

রাজবাড়ী সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ১৩৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছিলো। আর চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৬৫ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে। সারা জেলায় ৪ জন হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে তারা সবাই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে যায়। রাজবাড়ী সিভিল সার্জন ডাঃ এস এম মাসুদ বলেন, এ পর্যন্ত জেলায় ১৩৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলো। চলতি বছরে আমরা ৬৫ জন সন্দেহজনক রোগী পেয়েছি। জেলায় এখন পর্যন্ত ৪ জনের হাম শনাক্ত হয় এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আসা অধিকাংশই সুস্থ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০ এপ্রিল ২০২৬ ইং থেকে হামের বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামি ১০ মে ২০২৬ ইং পর্যন্ত। তিনি এ কথাও বলেন ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৬৬০ জন শিশু কে হামের এই বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে এটাই আমাদের লক্ষ্যমাত্র।